Text Practice Mode
মঞ্জুর এলাহীর মতো শ খানেক মানুষ থাকলে দেশ সিঙ্গাপুর হয়ে যেত
created Mar 25th, 07:31 by vaijan
0
203 words
20 completed
0
Rating visible after 3 or more votes
saving score / loading statistics ...
00:00
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী ছিলেন বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের আইকন। উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি তুলনামূলকভাবে অল্প বয়সেই বৃহৎ বহুজাতিক কোম্পানির চাকরি ছেড়ে অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন ব্যবসা ও পরিষেবা প্রতিষ্ঠায় সফলতা অর্জন করেন।
সফল ব্যবসায়ীর পাশাপাশি আরও যে কারণে তাঁকে স্মরণ করি তা হলো, তাঁর সঠিক কাজ করার প্রবণতা এবং বিষয়টি তাঁর চরিত্রের অন্যান্য দিক ছাপিয়ে যায়। তা সে ব্যবসায় হোক, সমাজে বা পরিবারে, সবখানেই তাঁর এই প্রবণতা দেখা যায়।
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী ছিলেন বাংলাদেশের ব্যবসায়িক জগতের মহিরুহ। তাঁর জীবন ছিল অনুসরণীয়। সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার পরাকাষ্ঠা ছিলেন তিনি। তাঁর মতো খুব বেশি মানুষ আমাদের দেশে খুঁজে পাওয়া যায় না। তিনি নিজে অফিস থেকে কিছু নিতেন না। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি টেলিফোন, কম্পিউটার বা গাড়ি কিছুই নেননি। নিজের প্রাপ্য গাড়ি ব্যাংকের আন্তর্জাতিক সহযোগীদের বা অতিথিদের ব্যবহারের জন্য দিয়ে রাখতেন। সেই গাড়ি ওভাবেই ব্যবহার করা হতো।
পরিচালনা পর্ষদে তিনি সবার মত শুনতেন। এরপর সবার বক্তব্যের সারসংক্ষেপ করে যে সিদ্ধান্ত নিতেন, সবাই তা মেনে নিতেন। এমনকি কোনো বৈঠক বা অনুষ্ঠানে আসতে দেরি হলে আগেই জানিয়ে দিতেন।
জীবনে কোনো দিন তিনি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাননি। নিয়মবহির্ভূত সিদ্ধান্ত নেননি। এসব ক্ষেত্রে তিনি বে–নজির। বাস্তবতা হলো, তাঁর মতো এ রকম শ খানেক মানুষ থাকলে বাংলাদেশ প্রকৃত অর্থেই সিঙ্গাপুর হয়ে যেত। করপোরেট সুশাসন ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণে বিশ্বাস করতেন তিনি।
সফল ব্যবসায়ীর পাশাপাশি আরও যে কারণে তাঁকে স্মরণ করি তা হলো, তাঁর সঠিক কাজ করার প্রবণতা এবং বিষয়টি তাঁর চরিত্রের অন্যান্য দিক ছাপিয়ে যায়। তা সে ব্যবসায় হোক, সমাজে বা পরিবারে, সবখানেই তাঁর এই প্রবণতা দেখা যায়।
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী ছিলেন বাংলাদেশের ব্যবসায়িক জগতের মহিরুহ। তাঁর জীবন ছিল অনুসরণীয়। সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার পরাকাষ্ঠা ছিলেন তিনি। তাঁর মতো খুব বেশি মানুষ আমাদের দেশে খুঁজে পাওয়া যায় না। তিনি নিজে অফিস থেকে কিছু নিতেন না। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি টেলিফোন, কম্পিউটার বা গাড়ি কিছুই নেননি। নিজের প্রাপ্য গাড়ি ব্যাংকের আন্তর্জাতিক সহযোগীদের বা অতিথিদের ব্যবহারের জন্য দিয়ে রাখতেন। সেই গাড়ি ওভাবেই ব্যবহার করা হতো।
পরিচালনা পর্ষদে তিনি সবার মত শুনতেন। এরপর সবার বক্তব্যের সারসংক্ষেপ করে যে সিদ্ধান্ত নিতেন, সবাই তা মেনে নিতেন। এমনকি কোনো বৈঠক বা অনুষ্ঠানে আসতে দেরি হলে আগেই জানিয়ে দিতেন।
জীবনে কোনো দিন তিনি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাননি। নিয়মবহির্ভূত সিদ্ধান্ত নেননি। এসব ক্ষেত্রে তিনি বে–নজির। বাস্তবতা হলো, তাঁর মতো এ রকম শ খানেক মানুষ থাকলে বাংলাদেশ প্রকৃত অর্থেই সিঙ্গাপুর হয়ে যেত। করপোরেট সুশাসন ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণে বিশ্বাস করতেন তিনি।
