eng
competition

Text Practice Mode

মাদকমুক্ত বাংলাদেশ-১

created Oct 2nd 2019, 17:59 by polas


1


Rating

242 words
33 completed
00:00
বাংলাদেশে মাদকের বিস্তার এখন সর্বগ্রাসী রূপলাভ করেছ। মাদকের এই কালো ছোবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে না স্কুলের শিশুও। কাজেই সরকারের পাশাপাশি পরিবারকেও এই মাদকের বিস্তার রোধে এগিয়ে আসতে হবে। মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে যে ধরপাকড় শুরু হয়েছে তা নিয়ে জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বেশিরবাগ মানুষ আত্মসমর্পণকে স্বাগত জানিয়েছে। কিন্তু তারা বিচিত্র উপায়ে এবং নতুন নতুন এজেন্ট নিয়োগ করে মাদক তথা ইয়াবা চোরাচালান অব্যাহত রাখবে। তাদের কথার কিছুটা বাস্তবতাও দেখা যায়। আত্মসমর্পণের দিন এবং তারাও পরবর্তী সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিপুল সংখ্যক ইয়াবা উদ্ধার করেছে। এতো কিছু করেও মাদক কারবারিদের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দাবি, অভিযান আত্মসমর্পণের পর টেকনাফ দিয়ে ইয়াবার সরবরাহ প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কমে গেছে। কিন্তু পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। পৃথিবীর কোথাও মাদককে শতভাগ নির্মূল করা সম্ভব হয়নি।  
 
মাদকের কারবার যারা করে তাদের মধ্যে দেশপ্রেম, বিবেক, বিচারবুদ্ধি মানবিকতা লোপ পায়। তারা অমানুষ হয়ে যায়। টাকা রোজগারের নেশায় তারা কিশোর, তরুণ যুবকদের ধ্বংস করে দিচ্ছে। জাতিকে পঙ্গু বানিয়ে দিচ্ছে। একজন মাদক কারবারি কি একবারও চিন্তা করে না যে তার নিজের ছেলে অথবা মেয়েটি যদি মাদকাসক্ত হয় তখন তার তার সংসারের পরিণতি কী হবে? মাদকাসক্ত ছেলে বা মেয়ের শেষ পরিণতি মৃত্যুর ‍দিকে ধাবিত হওয়া। সংসারের সব সুখ-শান্তি বিনষ্ট হয়ে সংসার ধ্বংসের মুখে পতিত হয় টাকা রোজগারের জন্য। কোনো লোকেরই দেশ জাতির জন্য এত বড় ক্ষতি করা উচিত নয়। যারা করে তারা দেশদ্রোহী, সমাজ মানবতা বিরোধী, তাদের সমাজচ্যুত করা উচিত এবং আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা অপরিহার্য্য।

saving score / loading statistics ...